Logo
নোটিশ ::
আপনার যেকোনো সৃজনশীল লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।আমাদের ইমেইল: hello.atharb@gmail.com

নিরবচ্ছিন্ন ঘুম কী ও তার প্রয়োজনীয়তা : রাহুল

অঙ্কন ডেস্ক / ২০৭ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

 

ঘুম হচ্ছে ক্লান্ত দেহের অপরিহার্য বন্ধু। সহজে বলতে গেলে ঘুম হচ্ছে দেহের প্রশান্তির ঔষধ।
আমরা সবাই জানি যে আমাদের জন্য ঘুম কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এটা জানার পরেও আমরা ঘুম নিয়ে অবহেলা করি,কিন্তু কেন?

আপনি বলতে পারেন যে, আপনি ঘুম নিয়ে অবহেলা করেন না।কিন্তু মনের অগোচরে অবশ্যই করছেন।কিভাবে? বলছি,

স্বাভাবিক নিয়ম বলে,
শিশুদের ১২-১৬ ঘন্টা এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন।

হ্যাঁ,এইটা আমরা সকলেই জানি,কিন্ত এর সাথে থাকা একটা শব্দ, “নিরবিচ্ছিন্ন” এইটার দিকে আমরা খেয়াল করি না। আসলে উপোরক্ত সময় পর্যন্ত একটা নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমের প্রয়োজন।আমরা অনেকই এই নিরবিচ্ছিন্ন – শব্দটার দিকে খেয়াল করি না।

“তবে এতে ক্ষতি কি?আমি যদি ছেড়ে ছেড়ে ৭ ঘন্টা total ঘুমাতে পারি তাহলেই তো হয়,আর এভাবেইতো আমি চলছি”

হুম,আপনি এভাবে চলছেন,এতে বড় কোনো ক্ষতি নেই।কিন্তু সেই ঘুমটা যদি নিরবিচ্ছিন্ন হতো তাহলে তা আরও শুভ ফলপ্রদ হতো, কিছু বিশেষ লাভ হতো যা দীর্ঘ দিন পর আপনার জীবনে প্রতিফলিত হতো।
যেমন:

১.মেমরি বা স্মৃতি শক্তির বিকাশ,
২.শান্ত বাহ্যিক আচরণ,
৩.স্বাভাবিক রক্তচাপ ও উচ্চ রক্তচাপের সম্ভাবনা হ্রাস,
৪.সুস্থ পরিপাক প্রক্রিয়া.

এমন অনেক কিছু থেকে আপনি আপনার দেহকে বন্ঞ্চিত করছেন। বিচ্ছিন্ন ঘুমে আপনি যত সময় ঘুমাবেন ঠিক তার পরবর্তী ৬/৭ ঘন্টা আপনি ক্লান্তিমুক্ত থাকবেন,কিন্তু এভাবে আপনার পরিপুর্ণ
ঘুম হতে যত সময় কম ঘুমাবেন কোনো না কোনো সময় সেই ক্লান্তিটা দুর করার জন্য আপনাকে আবার বিশ্রাম নিতেই হবে।আর এভাবেই অলসতা তৈরি হয়।আপনি কাজকর্ম ঢিলেমির সাথে করতে থাকবেন।

তাছাড়া যদি আপনি প্রতিনিয়ত নিরবিচ্ছিন্ন ৭/৮ ঘন্টা ঘুমান তাহলে সুস্থ মস্তিষ্ক এই ঘুমন্ত অবস্থায় নিউরন কোষের বিকাশ যথেষ্ট সুগঠিত ভাবে ঘটায়।যার ফলে আপনার স্মৃতিশক্তি সহ আরো মস্তিষ্ক ঘটিত কাজ সুস্থ্য ও সুগঠিত ভাবে হয়ে থাকে। এছাড়াও পেশির রিলাক্সেশনের কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।অর্থাৎ শারীরিক সুস্থ্যতায় নিরবচ্ছিন্ন ঘুম অনেক গুরুত্ব আরোপ করে থাকে।

 

লেখক: রাহুল, শিক্ষার্থী, ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com