Logo
নোটিশ ::
আপনার যেকোনো সৃজনশীল লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।আমাদের ইমেইল: hello.atharb@gmail.com

গ্যাস্ট্রিকের কারণ ও প্রতিকার- প্রতিরোধ : রাহুল

অঙ্কন ডেস্ক / ২১৩ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০

 

গ্যাসট্রিক খুবই সাধারণ ও পরিচিত নাম আমাদের নিকট। এমন কেউ নেই যে কি না এই সমস্যায় ভোগেনি। আবার অনেক বিচিত্র সমস্যাও এটি। এক এক জনের এক এক রকম। কেউ যদি খালি পেটে দুধ খায় তাহলে তার গ্যাসট্রিক হয়,আবার অনেকে দিব্যি খালি পেটে দুধ খেয়ে যাচ্ছে।তার কোনো সমস্যাই হচ্ছে না। কেউ তেলে ভাজা জিনিস বেশি খেতে পারছে না, আবার অনেকের সারাদিনই তেলে ভাজা খাদ্যের উপর চলছে। এখন বিষয় হচ্ছে, কেন এক এক জনের সাথে এক এক রকম? এমনটা কেন হয়?

 

 

এর অনেক কারণ রয়েছে।

১. বংশগত পরিপাক সংক্রান্ত রোগ,
২. হজম ক্ষমতা,
৩. নিদ্রা/ অনিদ্রা,
৪. সাধারণ পরিপাক সমস্যা, ইত্যাদি

যদি রোগ বা বংশগত কারণে গ্যাসট্রিক হয়ে থাকে তবে তা রোগ হিসেবেই গণ্য এবং বাকি ৫/ ১০ টা রোগের মতো এরও চিকিৎসা নিতে হবে।

 

 

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এসব একটাও সমস্যা না থাকার পরেও যদি আপনার গ্যাসট্রিক হয়, তবে বুঝে নিতে হবে আপনি নিজেই নিজেকে এই সমস্যার দিকে ধাবিত করছেন। কারণ আপনার সমস্যা হচ্ছে আপনার দৈনন্দিন রুটিন বা নিত্যকর্ম নিয়ে।

 

 

আমরা যেভাবে খাদ্য গ্রহণ করি বা যে সময় গ্রহণ করি সেই অনুযায়ী আমাদের মস্তিষ্ক স্মৃতি তৈরি করে। আর সেই অনুযায়ী গ্যাসট্রিক-জুস নামের এক জৈব রাসায়নিক তরল পাকস্থলীর লাইনিং এ অবস্থিত রুগী-তে থাকা গ্যাসট্রিক গ্রন্থী থেকে নিসৃত হয়। এই তরল খাবারকে জীবানু মুক্ত করে আর বিভিন্ন এনজাইম এর ক্রিয়া ঘটাতে উদ্বুদ্ধ করে।  এতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড, পটাসিয়াম ক্লোরাইড সহ আরও অন্যান্য পদার্থ থাকে, যা অম্লীয় পরিবেশ তৈরি করে। স্বাভাবিক ভাবে খাদ্য দ্রব্য গ্রহণের পরেই এটি নিসৃত হয় ও প্রশমিত হয়ে যায়,ফলে কোনো সমস্যা হয় না।

 

 

কিন্তু ধরুন আপনার গত ১০ দিন যাবৎ সকাল ৯ টায় রুটি খেয়ে অভ্যাস,তাই মস্তিষ্ক স্মৃতিতে এমন ভাবে এই তথ্যটা নিয়েছে যে প্রতিদিন একই সময়েই গ্যাসট্রিক জুস নিসৃত হবে।কিন্তু হঠাৎ একদিন আপনি ৯ টার দিকে খাবার না খেয়ে বসে আছেন,তাই তখন সেই নিসৃত জুস যা অম্লীয় পরিবেশ তৈরি করবে, সেটি আর খাদ্য না পেয়ে প্রশমিত হতে পারবে না,তাই ফলশ্রুতিতে আপনি গ্যাসট্রিকের সমস্যাতে ভুগবেন।

 

তাই এই বিষয়ে সচেতন হন,শুধু শুধু গ্যাসট্রিকের ঔষধ না খেয়ে প্রথমে রুটিন ঠিক করা উচিৎ।

 

লেখক: রাহুল, শিক্ষার্থী, ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ।

 

 


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com