Logo
নোটিশ ::
আপনার যেকোনো সৃজনশীল লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।আমাদের ইমেইল: hello.atharb@gmail.com

মনিকা আক্তার মৌ’র একটি কবিতা ‘শিরোনামহীন’

অঙ্কন ডেস্ক / ৬৭ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০

 

পুঁজিবাদীর হাওয়ায় কখন যে, কংক্রিটের আস্তরণে বন্দী করে ফেলেছিলাম নিজেকে জানিই না।
বুকের বা পাশে বুকপকেটের ঠিক ক’ইঞ্চি নিচেই যে,আমারও একটা ছোট্ট ডাকবাক্স আছে ভুলেই গিয়েছিলাম।
ব্যস্ত এই শহরটা
কখন যে আমাকে এতোটা ব্যস্ত করে তুললো,যে নিজেকেই খোঁজার সময় হারিয়েছিলাম।

বসন্তের হাওয়া তখনও কি বুঝতাম না,কিন্তু হৃদপিণ্ডটা যে চৈত্রের রোদে খুব করে পুড়ছিলো আচঁ করতে পারছিলাম।

হঠাৎ একদিন শরতের বিকেলে ধমকা বাতাসে উলোটপালোট করে দিলো আমার শহরটাকে,আমার ভেতর গড়া সব ব্যস্তকে শুষে নিলো এক লহমায়।

এই প্রথম অনুভব করলাম কংক্রিটের ধুলোপড়া আস্তরণ ও হাওয়াতে নিমজ্জিত হয়,আমারও যে একটা ডাকবাক্স আছে যেটাতে অনুভূতিরা প্রতিনিয়ত জমা রয় আর ব্যস্ততার বাহিরেও রাতের আঁধারে কাঠবেড়ালীর প্রয়োজন হয়।
বুঝতে পারলাম মনের করিডোরে ঠুনকো অনুভূতির প্রাণ সঞ্চার করতে আরম্ভ করেছে

শুরুটা সেই থেকেই
হরেকরকম অনুভূতির আনাগোনায় ভরপুর আয়োজনের আমাদের বসবাস।
প্রকৃতির রূপ বদলায় মানুষও তাই, তবুও নিরাশ হই নি ভাবতাম একই বাতাসে শ্বাস নিচ্ছি।
কিন্তু কোনো কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়ায় তাঁর শ্বাস যে কেড়ে নেবে জানতাম না।
এখানেই সব শেষ কিনা জানি না,
কংক্রিটের আস্তরণে বন্দী কি না আমার অনুভূতিরা এখন আর খোঁজ রাখি না
তবে হ্যাঁ এখন আমি ব্যস্ত ভীষণ ।
কিন্তু মাঝেমধ্যে যখন তাঁকে খুব করে অনুভব করি তখন কখনো কখনো শ্রাবণের ধারায় স্নান করি, আবার কখনো কখনো চৈত্রের দহনে পুড়ে মরি।

এই মানুষ গুলোকে অনায়সে প্রাক্তন নাম দেওয়া যায় কিন্তু স্মৃতি গুলোর কি নাম দেওয়া যায় বলুন তো!


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com