Logo
নোটিশ ::
আপনার যেকোনো সৃজনশীল লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।আমাদের ইমেইল: hello.atharb@gmail.com

এম শাহাদত হোসেনের একগুচ্ছ কবিতা

অঙ্কন ডেস্ক / ১৫৫ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

নিষেধ

২য় বার ভালবাসতে নিষেধ করলেন ফ্যামেলি থেকে।তবে কেন??এটা একদম টিক না।
দেখেন আমার কি মন নাই????আমি কি ভালবাসার অধিকার রাখিনা??
২০১৬ ছোট ছিলাম। তখন মেনে নিলাম আমি ছোট মানুষ ভালবাসার ভ বুঝি না তবুও ভাসতাম।জানতে পেরে
নিষিদ্ধ করা হল ফ্যামিলি থেকে। কষ্ট করে মেনে নিলাম।
ভাবলাম বড় হই।
চাকরি করি। ক্যারিয়ার গড়ি।
কিন্তু চার বছর চলে গেল ভালবাসার সাথে তেমন যোগাযোগ রক্ষা করতে পারি না। মাঝেমধ্যে চেষ্টা করলে প্রথম দেখাতেই দিক্ষার দিতো।অভিমান করতো প্রিয়।
তবু বুঝিয়ে বলতাম।
সারে তিন বছরে ক বার আমাদের মাত্র দেখা হয়।
আহা মধুর চাহনি।
কিন্তু এখন আমি অনেক বড় হয়েছি তবে কেন নিষেধাজ্ঞা??
কেন??

আবার জড়িয়ে পরলাম প্রিয়ের ভালবাসায়।
ফ্যামিলি জানতে পারলো।
আহা! নিষেধাজ্ঞা আমার সহ্য হয় না,।আমার ত স্বাধীনতা আছে।
চিত্তাকর্ষক করে চিত্তকে রাঙ্গাবার।
এ বাধাঁ আমি আমি না??

তবে কি আমি ব্যর্থ প্রেমিক সেজে থাকবো।মিথ্যা অভিনয় করা নতুন হাজার প্রেমিকের মত।
সত স্বার্থান্বেষী প্রেমিক তাকে ফেলে যায়।
আমি শেষমেশ প্রতিজ্ঞা করে বলেছিলাম।
কারন সে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিয়েছিলো।
আমাকে বিশ্বাস করে থেমে গেলে।
কিন্তু কষ্ট তাকে ক্ষমা করে নাই।
সারে তিন বছর গেল।
এখন আবার তাকে ডাকলে সে বলল আমার জন্য অপেক্ষা করছে।।
কিন্তু আমি কি
আত্মমর্যাদা ছেড়ে দিয়ে স্রুতে গা বাসিয়ে দেব।
না আমি পারবো না।
তবে কি আমি সেই পাপের অংশ নিতে বুক পেতে দিবো। যেপাপ করতে নিষেধ করে ফিরিয়ে এনেছিলাম।

না আমি ছাড়তে পারবো না। প্রেমিকার নাম।
নাম ধরে ডাকবো বারবার।
তুমি আমার কবিতা।
তুমি আমার প্রেমিকা।
তুমি আমারই কবিতা।


নিশ্বাসের ব্যাপ্তি

আমি চলে যাবো ওপারে তোমাদের ছেড়ে শোনে নিও আমার গুঞ্জন,
ও বন্ধু,বান্ধবী ও আমার প্রিয়তম সুজন।
নক্ষত্র হেলে আমার নিশ্বাসে, সত্যের পথ ধরে আছি এই বিশ্বাসে।তবে আমি মানব,মাঝেমধ্যে হয়ে উঠি নিষ্ঠুতম দানব।
আমার নিশ্বাসের ব্যাপ্তি শুননাই তুমি জানোয়ার
হাজার বেইমানের ভেঙ্গে দেই লোহার তলোয়ার
গনকালো যেখানে সেখানে দেয়ালে অন্ধকার
সেখানে নিশ্বাস ফেলে এনেছি আলোর জোয়ার।
রক্তিম দাবানলে বুড়োদের হাত ধরে
করাতাম সাঁকো পাড়াপাড়
আমার ঈমানী হুংকারে আল্লাহু আকবার।
তোর বেইমানির লক্করঝক্কি ভেঙ্গেছি বারবার।
রিদয়ে বহতা বায়ু রহমত নিংড়ানো অসীম আহার,পালাবে কোথায় ভেঙ্গে লোহার শিকল
ভাঙ্গবো তোর বাহার।
তবে আমি চলে যাবো
বিশ্বাস রেখো একবার, আমার পিছে মিথ্যা মাথাচারা দিলে
কতিপয় কলম নিয়ে দাঁড়াবে ফের আবার।
কলমের নিবে উঠে আসবে অত্যাচারীর কল্লা
কলম বারবার দেখাবে পরিচয় এক আল্লাহ।


তুমুলযুদ্ধ

ব্যাঙ মামাদের আড্ডা দেখে
ক্ষেপে গেল হরি
সাথে আবার শালাকে ডাকে
নিয়ে আয়তো দড়ি।
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ডাকে ব্যাঙে
ছিল কিছু দূর
হাজার খানেক ব্যাঙে এবার
দিল গলার সুর।
আষাঢ় মাসে হালকা পানি
একত্র হলো ব্যাঙ
হরির জমি দখল করলো
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।
তুমুল যুদ্ধ বেধে গেল
মানুষ ব্যাঙের মাঝে
বিবেক থাকা মানুষ সবাই
এই যুদ্ধ কি সাজে?
ঠ্যাং ভেঙ্গেছে দাঁত ভেঙ্গেছে
রক্তে হলো লাল
ব্যাঙের জাতিও কম করেনি
খেয়েছে হরির গাল।


 

নিত্য অপবিত্রতা নগ্ন দিলে জোট বেঁধেছে
মিছিল করে ঝড় তুলেছে।
পতন নেবে ধ্বংসে দেবে,গঠনটাকে অগঠনে রুপ দিয়েছে।
কায়ায় মরুর বালু উড়ে
কে বলেছে?
স্বাস্থবানের সুস্থতাতে অসুখের পোঁক ধরেছে।নিত্য অপবিত্রতা গোল হয়েছে। সার্কেলের পয়েন্টে জোট বেঁধেছে।
খুলে নিচ্ছে মাংশপেশি খাইনা কেন অত বেশি।আসল অসি ঘুরায় টানে দিয়ে বড় মন্ত্রবানে।
খুঁজি এখন পবিত্রতা চষে এলাম বৃন্দাবনে
আসল খেলা খেলছে বসে উপরওয়ালা উপরস্থানে।
ক্ষমা চাই বারে বারে
মাপ করে দাও এই আমারে।


মুক্তি চাই যৌবন

সেই হাজার সত্য কথন, যেটা আমাকে উজ্জ্বল করেছে

সেটা আমার যৌবন।
আবার অভিনাশি ধ্বংসের ফান্দে ফেলে রেখেছে
সেটাও আমার যৌবন।
হাড্ডিসার করেছে বারবার
বিশাল ধুমক্ষেতুকে ঝাপটা মেরে
টনক নড়িয়ে এসেছে যৌবন উদ্দীপনা।
সেই যৌবনে যা পেয়েছি, হারিয়েছি তার অনেক বেশি।
মিথ্যা বলছি না।
চেষ্টা করেও রাখতে পারিনি ধরে
ভীতরের সৌন্দর্য গেছে মরে।
যে বারংবার যৌবন জ্বালায় ভোগেনি
সে কবিতা লিখতে পারেনা।
হাজার খানেক কবিতার দ্বার খুলেছি যৌবন জ্বালায়।
বিনাশী যৌবনকে কে পারে আটকাতে
আমি তার অনুগ্রহ চাই।
চাই মিথ্যার অন্তরে সত্য প্রকাশ হোক
যৌবন হোক অসত্য পোড়ানোর অনল,
ছাঁই করুক পৃথিবীর মেকি মন্ত্রে জ্বলুক ঐ দাবানল।
কিন্তু আমি পারছিনা সহস্রবার খুলেছি যৌবনের দ্বার।
নিজেকে গুলিয়ে ফেলেছি পাপের রাজ্যে, সাপ তো বটেই। এটা পাপও পাপ।
অবচেতনে ঘুমিয়ে থেকেই রেহাই নাই
বিন্দু থেকে আমার হতাশা পৌঁছেছে সিন্দুতে।
না আবার দ্বিতীয় পাপ হয়ে গেল
বিরাট পাপ
কে জানে বিধাতা দিবে কিনা মাপ।
সাপ তো বটেই পাপ ও পাপ।
এই সেই যৌবন যার কণা বেড়িয়ে গেলে অবলীলায় পবিত্র হতে হয়
অবিত্রতা থেকে পরিত্রানের জন্য।
আমার কাছে অত্যান্ত পীড়াদায়ক ঘটনা
বিষাদ লাগে
এই বিষাদের মধ্যে পারে কে মিশাতে স্বাদ
আমি তার অনুগ্রহ চাই।
না হয় কেউ বিষ মিশিয়ে দাও। দুই বিষাদে একটা গোলযোগ সৃষ্টি হোক
আর আমি মুক্তি পাই।
কে দিতে পারে পথ বাতলে তার অনুগ্রহ চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com