Logo
নোটিশ ::
আপনার যেকোনো সৃজনশীল লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।আমাদের ইমেইল: hello.atharb@gmail.com

গল্প : বুবু || দিলুয়ারা আক্তার ভাবনা

অঙ্কন ডেস্ক / ১৮১ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

বুবু

○কোনো এক প্রাতঃকালে আকস্মিক করুণ এক চিৎকার ভাসিয়া আসিলো সওদা বাড়ি হইতে। বাহিরে আলো ফুটিয়াছে কি ফুটেনাই তখনো। প্রতিবেশিনী সকল একে অপরকে ডাকাডাকি করিয়া তুলিয়া ভীতসন্ত্রস্ত পায়ে সওদাবাড়ি অভিমুখে অগ্রসর হইলেন। অতঃপর তাহারা যাহা দেখিলেন তাহা প্রকাশযোগ্য নহে। সওদাগিন্নি রাবেয়া সবে অক্কা পাইয়াছেন। সুতারাং সেই আর্তচিৎকার আর কারো নয়। মমতার!

 

মমতা রাবেয়ার বড় মেয়ে। মমতার বয়েস যখন বৎসর চারেকে ছিলো এবং তাহার ছোটভাই জমিরের মায়ের পেটে কর্ণগোচর হইতেছিলো তখন তাহাদের পিতা হাসান আলী জগত ছাড়িয়াছিলেন6। লোকমুখে শোনা যায় হাসান আলী লোভের বশে ডাকাত দলে যোগ দিয়াছিলেন। অনতিবিলম্বে সে ডাকাত সর্দার ও বনিয়া যায় ৷ কোন এক গেরস্ত বাড়িতে ডাকাতি করিতে গিয়া ধরা পড়িয়া যায় সে। সেখান হইতে কোনোমতে জান নিয়া পালাইয়া আসিলেও পালাইতে পারেনি অন্য ডাকাতদের কবল হইতে। সক্কলে ধরা পড়িবার সন্দেহপূর্বক তাহাকে ডাকাতি রীতিতে গলা কাটিয়া হত্যা করিয়া সর্বপ্রকার প্রমানাদি কবরস্থ করা হয়।


এরপর হইতে সংসারের উভয় দায়িত্ব রাবেয়ার ঘাড়ে বর্তায়। সে একদিকে মা হইয়া সাংসারিক কাজকর্ম সমাধা করে। অন্যদিকে মুড়ায় গিয়া লাকড়ি জোগাড়পূ্র্বক তাহা বেচিয়া পিতৃদায়িত্ব ঘুচিয়া লই। এমনি করিয়া অতিব কষ্টে সন্তানদ্বয়ের মুখ চেয়ে দিনাতিপাত করিতেছিলেন রাবেয়া। মেয়েটা সবে মায়ের সাথে মুড়া চিনিতে প্রারম্ভ করিয়াছে । এরইমধ্যেই জটিল অসুখ বাঁধে রাবেয়ার। হঠাৎ হঠাৎ মাথা ঘুরিয়া উঠিত তাহার। মাঝে মাঝে অজ্ঞান হইতো। ডাক্তার দেখাইয়া কি অসুখ জানিয়া লইবে সেই সাধ্যি ও নাই। স্বামীর মৃত্যু, ছেলেমেয়েদুটোর ভবিষ্যৎ,বেনামী অসুখ: এইসব দুশ্চিন্তা দ্বিগুণ হইয়া মস্তিষ্কে ঠোকর মারা প্রারম্ভ করিলে যমদূতের আর অপেক্ষার তর সইলোনা৷


সেদিন রাবেয়ার প্রস্থানের পর এলাকায় বেশ ঘটা পড়িয়া গেলো। হায়,হায় রব উঠিলো মুখে, মুখে। কেহ,কেহ বলিলো এমন অভাগীর দূর্ভাগা মৃত্যু এ জনমে দেখেনাই। খোদা কার উসিলায় ছোট ছোট ছেলেমেয়ে দুটো রাখিয়া এই অকালে মা,বাপেরে উঠায় নিলো সে বিষয়ে খোদা’ই সর্বজ্ঞাত। যদিও এই আফসোস অধিক্ষণ স্থায়ী হইলোনা। সর্বপ্রকার দূঃখভার অবুঝ মমতার কাঁধে প্রবিষ্ট করিয়া যে যার কর্মে মনোনিবেশ করিলো।


এরপর শুরু হইলো মমতার কঠিনতর যাপন। সন্ধ্যে বেলা জমির যখন শুধোয় “বুবুরে,মারে ওরা কই লইয়া গেলো? মা যে এখনো আইলোনা। মা কখন আইবো বুবু”? মমতা ঠিক বুঝিয়া উঠেনা কি বলা দরকার। সে ও এ ব্যাপারে পূর্ণ জ্ঞাত নই যে মা আর আসিবে কিনা৷ তবে এতটুকু মনে পড়ে, বাবার কথা জিজ্ঞেস করিলে মা কহিত, বাবা দূরদেশে গিয়াছে চাকুরি সন্ধানে। একদিন তিনি ঘরসম টাকা লইয়া ফিরিয়া আসিবেন। তাই সে অনেক ভাবিয়া ভাইয়েরে কহিলো,”ভাই ,মা’ বাবার দেশে গেছে,বাবারে আনিতে। এই বলিয়া সবেগে জমিরকে জড়াইয়া ধরিলো সে। ছোট্ট শরীরের ভেতর সদ্য ফোটা তুলসীর পাতার মতোন কোমল হৃদয়খানি দুমড়ে,মুছড়ে জল হইয়া আখি দিয়া গড়াইতে লাগিলো। জমির কিছু বুঝিলো কি বুঝিলো না, তার আখি দুটো লাল থেকে লাল হইলো কেবল। আর মাতৃ, পিতৃ, ভ্রাতৃস্নেহ একত্রে জড়ো করিয়া মমতার বুকে পরম মমতায় স্বান্তনা প্রতীক আকিঁয়া দিলো।


পরদিন ভোরে জমিরের ক্রন্দনে ঘুম ভাঙিলো মমতার। আধভেজা চোখে সে বুঝিতে পারে জমিরের বড়ো ক্ষিধে পাইয়াছে। ঘরের আনাছে,কানাছে হাতড়াইয়া যখন সে একটি কড়ি মিলাতেও ব্যর্থ হয় তখন জমিরকে কহিলো,” ভাই তুই বোস,আমি দোকান থেকে আইতেছি”। খানিক্ষনের জন্য মস্তিষ্কের সাথে তাল মিলাইতে না পারিয়া মমতার অজ্ঞান হইবার বাসনা জাগিলো। কিন্তু নাহ। পরক্ষণেই সম্পূর্ণ যাতনা বিধাতার উপর ছাড়িয়া দিয়া হাটিতে আরম্ভ করিলো। সম্বিৎ ফিরিলে বুঝিতে পারিলো মুড়ার পথেই হাটিঁতেছে সে। ঠিক সেই পথ যেই পথ দিয়া ক’দিন আগেই মায়ের সাথে লাকড়ি আনিয়াছে। তার ভগ্ন কচি হৃদয় আর অশ্রুস্নাত নয়নযুগলে বারংবার মায়ের নিথর দেহখানি ভাসিয়া উঠিতেছিলো। পরক্ষণেই ভাইয়ের অভুক্ত শুষ্ক ক্রন্দনরত বদনখানি গোচর হইবা মাত্র সে স্ববেগে লাকড়ি কুড়োনোয় মন দিলো।


কুড়ি টাকা!অষ্টাবর্ষী মমতার জীবনের পয়লা উপার্জন। একটা ডিম আর বাকিটাকার চাউল লইয়া ঘরে ফিরিলো সে। জমির ততক্ষণে অর্ধামৃত চিৎ হইয়া মেঝেতে লাগিয়া আছে। হঠাৎ মমতার মস্তিষ্কের এ পাশ হইতে ওইপাশ কিছু একটা দৌড়াইয়া গেলো! টলিতে,টলিতে উঠিয়া দাড়ায় সে। একটি মাত্র ভোরের তফাতে তার বিবেক, বয়স, দায়িত্ব যেন জ্যামিতিক হারে বাড়িতে লাগিলো। এবার আখিযুগল স্বহস্তে মুছিয়া লইলো সে। অপরিপক্ব হস্তে রান্না চড়াইলো উনুনে। সন্তর্পণে জমিরকে তুলে ভাতের দানা মুখে পুরিবার কালে সহ্যশক্তি যেন সীমান্তে গিয়া ঠেকিলো। সহসা মূর্ছা গেলো মমতা! জমির ক্ষানিক বুবু,বুবু বলে ডাকিয়া, শ্রান্ত হইয়া আহারের পরিশিষ্টাংশ সমাপ্ত করিলো। পরক্ষণেই আপনাআপনি জাগিয়া উঠিলো মমতা। আর সে নিশ্চিত হইলো যে এই ত্রিভুবনে মা,বাবার আগে কিংবা পরে আপন কেহ ছিলোনা, থাকিবেনা। অতএব বাকি জীবনটা তাহার সম্পূর্ণ একার। মা’কে কবর দেওয়ার পর থেকে যেমন কেহ আসিয়া টুঁ মেরেও দেখেনাই, বাকীজীবনটাও এর ব্যাতিক্রম হইবেনা নিংসন্দেহে। জীবনতরীর কিছু অংশ অনুধাবন করিতে পারিলো ছোট্ট মমতা। তাকে বাঁচিতে হইবে। অন্তত জমিরের জন্যে তাকে লড়িতে হইবে!


বৎসর দুয়েক কাটিয়া গেলো এমনি করিয়া। জমির এখন বুঝিতে পারে যে, মা তার ফাঁকি দিয়াছে।আসিবেনা আর কোনোকালে। প্রত্যহ ভোর বেলা পান্তা আহার পূর্বক মমতা মুড়ায় যায় আর জমির যায় খেলিতে। মধ্যাহ্নের পর,পরই মমতা লাকড়ি বেচিয়া আসিয়া রান্না চড়াই। সন্ধ্যার আগে, আগে ভাই-বোনের দ্বিতীয়াহার হয়। একদিন মমতা আসিয়া দেখিলো জমির কোত্থাও নাই। সেদিন না মমতার রান্না করা হইলো আর না স্থিরতা। সন্ধ্যা অবধি খুঁজিতে, খুঁজিতে শ্রান্ত মমতার ভগ্ন হৃদয় তোলপাড় করিতে লাগিলো। টলিতে,টলিতে কোনোমতে ঘর পর্যন্ত পৌছুয় মমতা। গিয়ে দেখিলো জমির গভীর নিদ্রায় নিমগ্ন। দেখামাত্রই মমতার কোমল হৃদয় বিজলীর মতো চমকিয়া উঠিলো! অজ্ঞাতসারে হাউমাউ করে কাদিঁয়া ভাইকে জড়াইয়া নিলো বুকে। এ যেন এক জীবনের সমস্ত সম্বল,সমস্ত ভরসা,সমস্ত জীবনীশক্তি ফুরিয়ে যেতে, যেতে সঞ্ঝার হইলো আবার!


ক্রন্দন স্থির হইলে জমির জানাইলো সে ইস্কুলে গিয়াছিলো রাফির সহিত। ইস্কুল যে কতোখামি আনন্দময় স্থানয় তাহা সবিস্তারে বর্ণনাপূর্বক নিজেই আবদার করিয়া বসিলো বুবুর নিকট। মমতা অল্পবিস্তর জানিতো ইস্কুলে যাইতে টাকা লাগে। কিন্তু সে ভাইকে আশ্বাস দিলো যে “জমির ইস্কুলে পড়িবে”। মনে,মনে প্রতিজ্ঞা করিলো যত কষ্টই হোক ভাইকে পড়াইবে। জমির পড়াশোনা করিয়া বড়ো পুলিশ হইয়া এদেশের ডাকাত সমাজ নির্মূল করিতে পারিলে মমতার একজীবনের সমস্ত না পাওয়া মিটিয়া যায়! পরদিন থেকে দুইবেলা মুড়ায় যাওয়া শুরু করিলো মমতা। অপরাহ্নে সূয্যি উঠিবার পূর্বেই সে খাইয়া,না খাইয়া মুড়ার পথ ধরে। মধ্যাহ্নে আসিয়া রান্না বসাই। জমিরকে আহার দিয়া,নিজে খাইয়া আবার চলিয়া যায়। পরের মাসে বাড়তি টাকায় জমিরের ইস্কুল জামা হয়। পরদিন মমতা মজিদ মাস্টারের বাসায় গিয়া হাতে,পায়ে ধরিয়া নিজে সর্বপ্রকার খরচাদি বহন করিবার ওয়াদা লইয়া মাস্টারকে রাজি করাইলো। শুরু হইলো জমিরের পড়াশুনো।


মমতা বিশ বৎসরে পড়িলো। এ বয়সটা ঠিক তাহার সাথে যায়না। চেহারার সাথে এ বয়সের বিশাল তফাৎ। দীর্ঘকাল যাবত রৌদ্রে পুড়িয়া মুখখানা মরীচিকা রং ধারণ করিয়াছে। কালো,কালো বিন্দু পড়িয়াছে সর্বাঙ্গে। শক্ত গাট্টা গোট্টা শরীর, দেখিলে মনে হয় পেরেক ঠুকিলেও ব্যর্থ হইবে । যেনো শরীরের মেয়াদ বয়সের দ্বিগুন। এই বয়সে যৌবনের যে তেজ থাকিবার কথা মমতার মধ্যে উহার লেশমাত্র ও পরিলক্ষিত নহে। ইহার কোনো সুযোগ বা প্রয়োজন ও মমতার জীবনে আসেনাই। তাহার সহিত সাক্ষাৎ হয় এমন লোক বলিতে কয়েকজন লাকড়ি কুড়োনি বৃদ্ধা বৈ ছিলোনা। সুতরাং যৌবনের অপ্রয়োজনিয়তা তাহার পক্ষে অসম্ভব কিছু নহে। বিশের মাঝামাঝি আসিয়া সে একখানা সম্বন্ধের মুখোমুখি হইলো। লোকটি মাঝবয়েসী বিপত্নীক। জমিরের সমবয়সী ছেলেমেয়ে আছে। কিন্তু জমির কে ছেড়ে যাওয়ার কথা মমতা কল্পনা করিতেও পারিলোনা। জমির আজ অবধি মায়ের রেখে যাওয়া চার বৎসরের সেই ছোট্ট বালক। মমতা এখনো যাহাকে মুড়ার পথ চিনিতে দেয়নাই। তাহার জীবন ঘিরিয়া একমাত্র জমির। সুতরাং সম্বন্ধ ফিরিয়া গেলো।


মমতার কাছে যেমনই হোক জমির ক্রমশ নিজের কাছে বড় হইয়া উঠিয়াছে। বন্ধু মহলে বুবুর পরিচয় দিতে সে নারাজ। যে কয়জন বুবুকে চিনে তাহারা অন্য কারো সহিত বুবুর কথা পাড়িলে সে ক্ষুব্ধ হইয়া উঠে। লজ্জাবোধ নামের বিশেষ পর্দায় আবিষ্ট হইয়া যায় সর্বাঙ্গ। এই লজ্জাবোধের জন্য দায়ী তার বন্ধুমহল। বুবুকে নিয়া এ কথা ও কথা ই তার এইরূপ ক্ষ্রিপ্ততার কারণ। এ বছর সে প্রবেশিকা পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করিবে । এই নিয়া মমতার ভাবনার অন্ত না থাকিলেও জমিরের বিশেষ ভ্রূক্ষেপ নাই। ইদানীং তার হৃদয়ামন উশখুশ উশখুশ করিতেছে। মান্যতা তার এক কেলাশ নিচে পড়ুয়া নব্য কিশোরী। হিন্দু সম্প্রদায়ের বড়লোক ঘরের তনয়া। সে কেমন ফ্যালফ্যালাইয়া জমিরের দিকে চাহিয়া থাকে ক’মাস ধরে। ওই নেত্রে যেন সহস্র কথা কহিবার। পয়লা, পয়লা জমির এড়ায়ে যাইতো। বুবুর কথা মনে হইবা মাত্র সে চোখ নামাইয়া নিতো। কিন্তু এখন এড়িয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হইয়া গিয়াছে। এরমধ্যেই কয়েকটা চিঠির আদান প্রদান সমেত বন্ধুমহল জানিয়া গিয়াছে। সমস্যা এক জায়গায়। মান্যতার পরিবার তাকে অন্যত্র বিবাহের চেষ্টা করিতেছে।


এদিকে জমিরের হাল টানিতে মমতার বেহাল দশা। জমিরকে লইয়া যে প্রতিবেশীদিগের মধ্যে একধরনের কানাঘুষো চলিতেছে সেটা মমতা যদিও ঠাহর করিতে পারে, কিন্তু ওসবে তার বিশেষ ভ্রুক্ষেপ নাই। তবে জমিরের পড়াশুনোয় মন ঢিলে হওয়ার বিষয় টা মমতাকে অতিশয় চিন্তিত করিয়া তুলিলো। ইহা সে মানিয়া লইতে পারেনা কোনোমতে। এতোদিনের সমস্ত স্নেহ, মমতা, আশা, ভরসা’ শাসন হইয়া চাপিতে লাগিলো জমিরের উপর। পরিক্ষা যতো নিকটে আসে জমিরের উদাসীনতা ততো বাড়িতে থাকে । পাল্লা দিয়ে বাড়িয়া চলে মমতার শাসন। বাল্য বয়েসে মাথায় তুলিয়া, বুদ্ধিকালে শাসাইতে গেলে তার একটা বিরূপ প্রভাব পড়িবার সন্দেহ রহিয়া যায়।জমিরের বেলায় ইহাই ঘটিলো। ক্রমে অতিষ্ট হইয়া উঠিতে লাগিলো জমির।পরিক্ষা


শেষ হইতে থাকে একটার পর একটা।

সর্বশেষ পরিক্ষা ছিলো সেদিন। মান্যতা জানিয়েছে তার বিবাহ সম্বন্ধ পাকা হইয়া গিয়াছে। জমির কিছু একটা না করিলে বিবাহ রাত্রেই সে আত্নহত্যা করিবে। পাগলপ্রায় জমিরের অন্তঃকরণে শুধু মান্যতা আর মান্যতা। বুবুর এক জীবন কষ্ট, ভরসা,দায়,সপ্ন,ধর্ম সবকিছু নিতান্ত তুচ্ছ মনে হইলো তার। কেবল তাড়না দিতে লাগিলো বুবুর শাসন। রাত্তির ১১ টা। পাগলপ্রায় জমির আনমনে ঘর হইতে বাহির হইয়া যায়। মমতাও আসে পিছন পিছন।কিন্তু মাঝপথে থমকে যায়। সে বুঝিতে পারে এটাই হয়তো শেষবার। মমতা আটকালোনা জমিরকে। তার চোখে কেবল বাবা,মায়ের লাশ ভাসিয়া উঠিল!


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com