Logo
নোটিশ ::
আপনার যেকোনো সৃজনশীল লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।আমাদের ইমেইল: hello.atharb@gmail.com

নবীনদের আমি একটি কথাই বলবো : শাকিল আহমদ কাউসার

অঙ্কন ডেস্ক / ৩৪১ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০

যুগ পরিবর্তনের ধারক হতে পারেন একজন সৃষ্টিশীল উদ্যোক্তা। শাকিল আহমদ কাউসার; তেমনি একজন ক্ষুদে উদ্যোক্তার নাম। সৃষ্টিশীল এই উদ্যোক্তা অঙ্কনে মুখোমুখি হয়েছেন,বলেছেন তার উদ্যোক্তা হবার গল্প।তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অঙ্কন ডট কম’এর সম্পাদক আতহার বাবরুল



আতহার: সবাই দেখানো পথ ধরে চলতে চায়। পথ দেখানোতে আমরা অভ্যস্ত নই। কোন পথ সৃষ্টির আনন্দ ঠিক কতটুকু বলে মনে হয়?

কাউসার: যে বা যারা সৃষ্টিশীল কাজের সাথে জড়িত, তারাই একমাত্র বুঝেন কোন পথ সৃষ্টির আনন্দ ঠিক কতটুকু। সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে মনের ক্ষুধা দূর হয়। যাদের মনে ক্ষুধা নেই, তারা নতুন পথ সৃষ্টির কাজ করতে পারে না।


আতহার: আপনার উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনের রহস্য জানতে চাই।

কাউসার: আসলে তেমন কোনো রহস্য নেই, তবে কিছুটা কারণ তো আছেই। নিজে থেকে কিছু করবো, এরকম একটা ভাবনা আমার শৈশব থেকেই ছিলো। মাধ্যমিক পাশ করার আগেই অনেক কাজের সাথে জড়িত ছিলাম। একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে কিছুদিন শিক্ষকতা করেছি্ মূলত এখান থেকেই নিজে কিছু করার সাহসটুকু পেয়েছি।


আতহার: নবীনদের নিয়ে কী স্বপ্ন দেখেন?

কাউসার: নবীনদের আমি একটি কথাই বলবো—
দেশের এ প্রেক্ষাপটে সবাই যদি চায় আমাকে একটা চাকরি দেওয়া হোক, তাহলে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু সবাই যদি নিজ থেকে কিছু করতে চায় এটা সম্ভব।এর জন্য নবীনদের কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।


আতহার: বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে নবীন উদ্যোক্তোর প্রয়োজনীয়তা ঠিক কতটুকু বলে মনে হয়।

কাউসার: উদ্যোক্তা যেকোনো দেশের অর্থনীতির ধারক ও বাহক। উদ্যোক্তাবিহীন একটা দেশের উন্নয়ন কল্পনা করা যায় না। একটা দেশকে ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত উন্নত বলা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত ওই দেশের জনগণের একটা অংশ বেকার থাকবে। একমাত্র উদ্যোক্তা গঠনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ‘বেকারত্ব’ নামক অভিশাপ মুক্তি পেতে পারে। যার ফলে সম্পদের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে জনগনের জীবনমান উন্নত হবে, উন্নত হবে দেশ। অর্থাৎ বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে নবীন উদ্যোক্তার বিকল্প নেই।


আতহার: আমি জানি আপনি একজন সাহিত্যমনা লেখক। সাহিত্য নিয়ে ভবিষ্যতে কী করবেন বলে ভাবছেন?

কাউসার: সাহিত্যের প্রতি দূর্বলতা আছে। ইচ্ছে ছিলো অনেক কিছুই করার। আসলে, সব ইচ্ছে পূরণ হয় না। একটা কাব্যগ্রন্থ করার চিন্তাধারা আছে এবং সেটা আগামী বছরের হবে ইনশাআল্লাহ। কবিতা প্রস্তুত আছে, সময়টা স্বাভাবিক হলেই ওটাতে হাত দেবো।


আতহার: লেখাপড়ার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হতে কে বা কারা আপনাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছেন?

কাউসার: গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রত্যেক ব্যাক্তিই জীবনে কারোর না কারোর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়। আমিও ব্যাতিক্রম নই। প্রথমত, আব্বা-আম্মার দেয়া সাহস, তিনটি ভাইয়ের সহযোগিতা, সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা। দ্বিতীয়ত, যে লোকটির কথা না বললেই নয়, মামা আব্দুর রাজ্জাক। পরামর্শ, সাহস ও প্রেরণা’র কেন্দ্রবিন্দু। ভাই, জাহিদুল ইসলাম। ওঁনাদের সহযোগিতার কথা ভুলা যাবেনা। তারপর আরও যাঁদের প্রভাব রয়েছে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, বড় ভাই-বোন সবার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।


আতহার: আপনার বর্তমান ব্যবসায়িক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাই।

কাউসার: নূহা কম্পিউটার, নাম দিয়ে অনলাইন সার্ভিসিং একটা স্টোর দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। বর্তমানে এর পরিধি বাড়ানোর লক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদন নিশ্চিত করে একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শুরু করেছি। যা ‘নূহা কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে।


আতহার: আপনার লেখাপড়া সম্পর্কে কিছু বলবেন?

কাউসার: হ্যাঁ অবশ্যই। আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ-এ অর্থনীতি বিষয়ে বিএসএস (সম্মান) ৪র্থ বর্ষে অধ্যয়ন করছি। চলতি বছরে অনার্স শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়ে উঠছে না।


আতহার: আপনাকে অঙ্কন পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ এবং শুভকামনা জানাই।

কাউসার: ধন্যবাদ আপনি এবং অঙ্কন পরিবারের সবাইকে। অঙ্কন এর জন্য শুভকামনা।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com